01নিদর্শন
কুরআনে আল্লাহ নক্ষত্রগুলোর অবস্থানের শপথ করেছেন। সংশয়বাদীরা দাবি করে, যিনি কুরআন লিখেছেন তিনি ভুল করেছেন, সব নক্ষত্র যে অবস্থানে দেখা যায় সেখানেই আছে। আজ বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেছেন যে আমরা যখন নক্ষত্র দেখি, আসলে আমরা অতীতের দিকে তাকাই। আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সেই সব নক্ষত্র অন্য অবস্থানে সরে যেত।
02বৈজ্ঞানিক প্রমাণ
মহাকাশের বস্তুগুলো থেকে আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে যে সময় লাগে, তার অর্থ হলো আমরা যখন গ্রহ, নক্ষত্র ও ছায়াপথ দেখি, তখন আসলে সময়ের পেছনে ফিরে তাকাই।
রাতের আকাশে নক্ষত্রগুলোর দিকে তাকালে আমরা সময়ের পেছনে ফিরে তাকাই। দূরের এই বস্তুগুলো থেকে আমাদের চোখে প্রবেশ করা আলো বছর, দশক বা সহস্রাব্দ আগে যাত্রা শুরু করেছিল।
যখনই আমরা ‘ওপরে’ কোনো কিছুর দিকে তাকাই, তখন সেটিকে অতীতে যেমন ছিল তেমনই দেখি।
“যখনই আমরা ‘ওপরে’ কোনো কিছুর দিকে তাকাই, তখন সেটিকে অতীতে যেমন ছিল তেমনই দেখি।” সেই আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ওই সব নক্ষত্র অন্য অবস্থানে সরে যেত। এটি সম্প্রতি জানা গেছে, অথচ আবিষ্কৃত হওয়ার ১৪০০ বছর আগে কুরআনে এটি তুলে ধরা হয়েছিল।
03কুরআনের আয়াত · কুরআন ৫৬:৭৫-৭৭
فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ ٧٥ وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ ٧٦ إِنَّهُ لَقُرْآنٌ كَرِيمٌ ٧٧
আমি নক্ষত্রগুলোর অবস্থানের শপথ করছি, যদি তোমরা জানতে তবে এটি এক মহান শপথ, এটি এক মহিমান্বিত কুরআন
04ভাবনা
আল্লাহ নক্ষত্রগুলোর অবস্থানের শপথ করেছেন, কিন্তু নক্ষত্রগুলোর নিজেদের নয়। আজ আমরা জানি, নক্ষত্রগুলোর দিকে তাকালে আমরা আসলে অতীতের দিকে তাকাই। অতীতে নক্ষত্রগুলো এখানে ছিল; আজ সেই সব নক্ষত্র অন্য অবস্থানে সরে গেছে।
05 · ভেবে দেখুন