01নিদর্শন
কুরআনে পৃথিবীর একটি সুরক্ষা-ঢাল আছে। সংশয়বাদীরা দাবি করে, যিনি কুরআন লিখেছেন তিনি ভুল করেছেন; পৃথিবী এমন শূন্যতা দিয়ে ঘেরা, যা কিছুই করে না। আজ বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেছেন যে পৃথিবীর একটি অদৃশ্য চৌম্বকক্ষেত্র আছে, যা একে মহাজাগতিক বিকিরণ থেকে রক্ষা করে।
পৃথিবীর একটি দৃশ্যমান বায়ুমণ্ডল আছে, যা একে উল্কা ও ছোট ছোট ধ্বংসাবশেষের আঘাত থেকে রক্ষা করে। কিন্তু পৃথিবীর একটি অদৃশ্য চৌম্বকক্ষেত্রও আছে, যা একে মহাজাগতিক বিকিরণ থেকে রক্ষা করে; একে বলা হয় ম্যাগনেটোস্ফিয়ার।

02বৈজ্ঞানিক প্রমাণ
ম্যাগনেটোস্ফিয়ার
পৃথিবীর মতো সক্রিয় ম্যাগনেটোস্ফিয়ারযুক্ত গ্রহগুলো সৌর বিকিরণ বা মহাজাগতিক বিকিরণের প্রভাব কমাতে বা আটকাতে সক্ষম, যা সব জীবকে সম্ভাব্য ক্ষতিকর ও বিপজ্জনক পরিণতি থেকেও রক্ষা করে।
এই চৌম্বকক্ষেত্র না থাকলে পৃথিবীর পৃষ্ঠে জীবন অসম্ভব হতো। এটি সম্প্রতি জানা গেছে, অথচ আবিষ্কৃত হওয়ার ১৪০০ বছর আগে কুরআনে এটি তুলে ধরা হয়েছিল।
03কুরআনের আয়াত · কুরআন ২১:৩২
وَجَعَلْنَا السَّمَاءَ سَقْفًا مَحْفُوظًا ۖ وَهُمْ عَنْ آيَاتِهَا مُعْرِضُونَ ٣٢
আর আমি আকাশকে এক সুরক্ষিত ঢাল বানিয়েছি, অথচ তারা এর নিদর্শন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
04ভাবনা
“সুরক্ষিত ঢাল سَقْفًا مَحْفُوظًا ۖ” অর্থাৎ বায়ুমণ্ডল নিজেই সুরক্ষিত। “সুরক্ষাকারী ঢাল سقفا حافظا” এর অর্থ হলো বায়ুমণ্ডল আমাদের রক্ষা করে; কিন্তু কুরআন বলেছে “সুরক্ষিত ঢাল سَقْفًا مَحْفُوظًا”, অর্থাৎ বায়ুমণ্ডল নিজেই সুরক্ষিত।
দৃশ্যমান বায়ুমণ্ডল পৃথিবীকে উল্কা ও ছোট ছোট ধ্বংসাবশেষের আঘাত থেকে রক্ষা করে। কিন্তু এই আয়াত কেন “সুরক্ষিত ঢাল” বলেছে তা বুঝতে হলে মঙ্গল গ্রহের দিকে তাকাতে হবে। মঙ্গলের একটি বায়ুমণ্ডল ছিল, কিন্তু চৌম্বকক্ষেত্র না থাকায় সে তা হারিয়ে ফেলেছে। অথচ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এই অদৃশ্য চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা সুরক্ষিত। এ কারণেই এই আয়াত “সুরক্ষিত ঢাল” বলেছে, কারণ এই বায়ুমণ্ডলও (আমাদের দৃশ্যমান ঢাল) সুরক্ষিত হচ্ছে।
05 · ভেবে দেখুন