# রাতে জেগে থাকা প্রাণী

> রাতেই সক্রিয় থাকে।

- বিষয়: প্রাণিবিজ্ঞান
- স্তর: সহজ
- কুরআনের আয়াত: কুরআন ৬:১৩
- URL: https://dailymuslim.org/quran-miracles/nocturnal-animals?lang=bn

কুরআনে এমন প্রাণীর কথা আছে, যারা রাতে সক্রিয় থাকে আর দিনে বিশ্রাম নেয়। সন্দেহবাদীরা দাবি করেন, কুরআন যিনি লিখেছেন তিনি ভুল করেছেন; সব প্রাণীই দিনে সক্রিয় থাকে আর রাতে বিশ্রাম নেয়, এর কোনো ব্যতিক্রম নেই। আজ বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেছেন, রাতে সক্রিয় প্রাণী সত্যিই আছে। তারা রাতে সক্রিয় থাকে আর দিনে বিশ্রাম নেয়।

১৪০০ বছর আগে মানুষ ভাবত, সব প্রাণী রাতে বিশ্রাম নেয়। কিন্তু আজ আমরা জানি, এই ধারণা ভুল। কিছু প্রাণী রাতে সক্রিয় থাকে আর দিনে বিশ্রাম নেয়।

> “রাতে সক্রিয় থাকা

> রাতে সক্রিয় থাকা আর দিনে ঘুমানো—প্রাণীর এই আচরণকে বলা হয় নিশাচরতা। এ ধরনের প্রাণীকে সাধারণভাবে ‘নিশাচর’ বলা হয়। এর বিপরীত হলো ‘দিবাচর’, অর্থাৎ দিনে সক্রিয় প্রাণী।”

— [উইকিপিডিয়া, নিশাচরতা, ২০১৯।](https://en.wikipedia.org/wiki/Nocturnality)

নিশাচর প্রাণী রাতে সক্রিয় থাকে আর দিনে বিশ্রাম নেয়। বিষয়টি সম্প্রতি জানা গেছে। অথচ ১৪০০ বছর আগে কুরআনে বলা হয়েছিল, কিছু প্রাণী রাতে বিশ্রাম নেয়, আবার কিছু প্রাণী দিনে বিশ্রাম নেয়:

## কুরআনের আয়াত · কুরআন ৬:১৩

١٣ وَلَهُ مَا سَكَنَ فِي اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ ۚ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

*রাতে ও দিনে যা কিছু বিশ্রাম নেয়, সবই তাঁর। তিনি সব শোনেন, সব জানেন।*

যেসব প্রাণী দিনে বিশ্রাম নেয়, তার মানে তারা রাতে সক্রিয় থাকে। কুরআনে কোনো ভুল নেই।

### অতিরিক্ত তথ্যসূত্র

> মূল লেখা: Miracles of Quran। উইকিপিডিয়ার উদ্ধৃতি ও তার অনুবাদ CC BY-SA 4.0 লাইসেন্সের আওতায়। নিচের ব্যাখ্যাগুলো আলাদা সংযোজন।

— [CC BY-SA 4.0](https://creativecommons.org/licenses/by-sa/4.0/)

### অতিরিক্ত প্রমাণ — সারসংক্ষেপ

> যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় উদ্যান সেবা জানায়, অনেক প্রাণী রাতে সক্রিয় থাকে। কেউ দিনের গরম এড়াতে রাতে বের হয়। তাদের উদাহরণের মধ্যে বাদুড় ও লক্ষ্মীপেঁচাও আছে। এটি রাতে সক্রিয় প্রাণীর অস্তিত্ব সমর্থন করে; সব প্রাণীর এক রকম সময়সূচি আছে, এমন কথা বলে না।

— [যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় উদ্যান সেবা — প্রাণীদের অন্ধকার দরকার](https://www.nps.gov/articles/nocturnal_earthnight.htm)

### অ্যারিস্টটল — প্রাণীদের ইতিহাস, অষ্টম খণ্ড

> মূল লেখায় বলা হয়েছে, ১৪০০ বছর আগে মানুষ নিশাচর প্রাণী সম্পর্কে জানত না। এই দাবি সঠিক নয়। ইসলামের বহু আগে অ্যারিস্টটল পেঁচাসহ রাতে উড়ে বেড়ানো পাখির কথা লিখেছিলেন। রাতের প্রাণীর অস্তিত্ব আর মানুষ প্রথম কবে তাদের চিনেছে—এ দুটি আলাদা প্রশ্ন।

— [অ্যারিস্টটল — প্রাণীদের ইতিহাস, অষ্টম খণ্ড](https://classics.mit.edu/Aristotle/history_anim.8.viii.html)

### ইবনে কাসিরের তাফসির — ৬:১৩

> ইবনে কাসির এখানে ব্যাখ্যা করেছেন, রাত ও দিনের সব সৃষ্টি আল্লাহর অধীনে। আয়াতটি প্রাণীদের ঘুমের সময় অনুযায়ী ভাগ করে না। নিশাচর প্রাণীর সঙ্গে এর যোগসূত্র মূল লেখকের ভাবনা; আয়াতের একমাত্র অর্থ বা কোনো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফল নয়।

— [ইবনে কাসিরের তাফসির — ৬:১৩](https://quran.com/al-anam/13/tafsirs/en-tafisr-ibn-kathir)

## ভেবে দেখুন

**১৪০০ বছর আগে বেঁচে থাকা একজন নিরক্ষর মানুষ নিশাচর প্রাণী সম্পর্কে কীভাবে জানতেন?**

## সূত্র ও আরও পড়ুন

- [কুরআন ৬:১৩ · Quran.com](https://quran.com/6/13)
- [উইকিপিডিয়া, নিশাচরতা, ২০১৯।](https://en.wikipedia.org/wiki/Nocturnality)
- [Miracles of Quran](https://www.miracles-of-quran.com/nocturnal_animals.html)

— কুরআনের মুজিযা, Daily Muslim · https://dailymuslim.org/quran-miracles/nocturnal-animals?lang=bn
